সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :::
সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট ফোকাস নিউজ ডটকম এর জন্য সিলেট বিভাগসহ দেশ বিদেশে সংবাদদাতা ও জেলা উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ইমেইলে আপনাদের সিভি পাঠাতে পারেন।
শিরোনাম ::::
সিলেটে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, সাংবাদিক আহত সিলেটে কমছে পানি, বাড়ছে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি ওসমানী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে এম্বুলেন্স চাপায় বৃদ্ধ নিহত টুলটিকরে এটিএমএ হাসান জেবুলের ত্রাণ বিতরণ সাদিপুর নওয়াগাঁওয়ে বিদ্যুৎতের তারের উপরে পড়ে আছে কদম গাছ ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা ৬ দিন পর সুনামগঞ্জে বিপৎসীমার নিচে সুরমার পানি জাফলংয়ে সামসুল আলম বলেন কেউ না খেয়ে মারা যাবেন না, সরকার আপনাদের পাশে আছে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে মানবতার সেবায় বন্যার্ত সিলেটবাসীর পাশে চট্টগ্রামবাসী সিসিকে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জে বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন মন্ত্রী ইমরান গোলাপগঞ্জে পানি বন্দিদের সহায়তায় আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষের পাশে “শান্তিগন্জ সমিতি সিলেট “ সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক খাদ্য-আর্থিক সংকট কাটাতে বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব গাজীপুরে পিকআপ ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা : নিহত ৩ ছেলেকে বাঁচাতে প্রাণ দিলেন বাবাছেলেকে বাঁচাতে প্রাণ দিলেন বাবা ২০ মে ‘চা শ্রমিক দিবস’ এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি সরকার চা শ্রমিকদের জীবন উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে: শফিকুর রহমান চৌধুরী হিউম্যান রিলিফ ফাউন্ডেশন ইউ.কে এর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বন্যার্তদের মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণে খন্দকার মুক্তাদির
শান্তিরক্ষা কার্যক্রম আরো জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শান্তিরক্ষা কার্যক্রম আরো জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মর্যাদা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এর সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসে কর্তৃক আয়োজিত ‘অ্যাকশন ফর পিসকিপিং’ বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসেও উপস্থিতি ছিলেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠী (বিচ্ছিন্নতাবাদী, সন্ত্রাসী, বিদ্রোহী) থেকে যেভাবে হুমকি আসছে, তাতে শান্তিরক্ষীদের আরো সরঞ্জামের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিতে হবে। শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের এখন নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হচ্ছে। ওই সব স্থানে শান্তি বজায় রাখার মতো পরিস্থিতি নেই। রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে তারা ক্রমবর্ধমান হুমকির শিকার হচ্ছে।

হুমকির প্রসঙ্গটিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শান্তিরক্ষীদের সেখানেই পাঠানো হয়, যেখানে কোনো শান্তি নেই। অরাষ্ট্রীয় দুর্বৃত্তদের দ্বারা তারা প্রতিনিয়ত হুমকিতে পড়ছে। ফলে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম কঠিন ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ছে। এজন্য শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া উচিত ইউএনকে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার মতো ক্ষমতা ও সরাঞ্জামাদি দেয়া উচিত বলেও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো রাষ্ট্রের সদস্যদের মোতায়েনের ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতি, নিষ্ঠা ও দক্ষতা দেখতে হবে। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উত্তরণ ঘটাতে হবে। আমরা আশা করছি এ ফোর পি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে তাদের ‘লক্ষ্য পূরণে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে’ সহায়তা করবে। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দি ডিক্লিয়ারেশন অব শেয়ার্ড পিসকিপিং কমিটমেন্টস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল বয়ে এনেছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের যে প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়েছে তাতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যে ব্যয় হচ্ছে তা মূলত বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে যেসব জীবন বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে তার মূল্য হয় না। তাই ব্যয় ও শান্তিরক্ষী কমালে মাঠ পর্যায়ে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। শেখ হাসিনা বলেন, এতে ফ্রন্টলাইনে যারা আছেন তাদের কথা অবশ্যই শুনতে হবে। শান্তিরক্ষা মিশনে যে সব দেশের সেনা ও পুলিশ অবদান রাখছে, নিরাপত্তা পরিষদ এবং জাতিসংঘ সচিবালয়কে তাদের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে অগ্রাধিকার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে জাতিসংঘের ডাকে বাংলাদেশ কখনো সাড়া দেয়নি, এমনটা হয়নি। আমরা শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ৩০ বছর পূর্ণ হওয়া উদযাপন করছি। শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা ও পুলিশ সদস্য পাঠানোর দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এর কার্যক্রম সংস্কারে গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে মর্যাদা সমুন্নত রেখে সংস্কার কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শান্তিরক্ষায় দায়িত্ব পালনে অনেক বাংলাদেশি জীবন দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারপরও শান্তিরক্ষী পাঠাতে পিছপা হইনি। আমরা যতটা সম্ভব খুব অল্প সময়ের মধ্যে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে লোক পাঠাই।যেকোনো চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির সঙ্গে তারা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। জনগণের সেবায় তারা হৃদয় দিয়ে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেখানেই প্রয়োজন হবে বেসামরিক জনগণকে রক্ষায় তারা এগিয়ে যাবে। উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজস্ব উৎস দিয়ে মালিতে অবস্থিত সৈন্যদের মাইন সুরক্ষিত যানবাহন সরবরাহ করেছি। অন্যান্য মিশনগুলোতেও এটা অনুসরণের চেষ্টা করছি।

শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ব্যক্তিগত আগ্রহের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারের নারী পাইলটদের পাঠিয়েছে। এটা অনেক অর্জন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অথবা প্রয়োজনে যে কোনোস্থানে আরো সিনিয়র শান্তিরক্ষী পাঠাতে পারলে আমরা গর্বিত হবো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যৌন অপরাধ ও নির্যাতনের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, মহাসচিবের সার্কেল অব লিডারশিপে কাজ করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ রয়েছি আমরা।

  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © sylhetfocusnews.com
Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo