সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :::
সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট ফোকাস নিউজ ডটকম এর জন্য সিলেট বিভাগসহ দেশ বিদেশে সংবাদদাতা ও জেলা উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ইমেইলে আপনাদের সিভি পাঠাতে পারেন।
শিরোনাম ::::
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অনির্দিষ্টকালের জন্য শাবিপ্রবি বন্ধ ঘোষণা দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য একমাত্র দল জাতীয় পার্টি আ.ন.ম.ওহিদ কনা মিয়া সিলেট বিভাগীয় ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা শাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ৫০ জাতিসংঘের শান্তি দূত ড. শরণপাল মহাথেরো’র পক্ষে সিলেটে শীতবস্ত্র ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ শাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নতুন গতি, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ফের আন্দোলনে শাবি ছাত্রীরা-হামলার অভিযোগ সিলেটে মামলাজট নিরসনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে : মহানগর দায়রা জজ ইনডোর রয়েল ফিল্ড ফুটবল স্পোর্টস গ্রাউন্ড”-এর শুভ উদ্বোধন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ সিলেটে চ্যাম্পিয়ন হতে সৌম্যদের প্রয়োজন ১৬৪ সিলেটে বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়বে শীত ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত টাকার লোভে ঢাবির সাবেক অধ্যাপককে হত্যা করল রাজমিস্ত্রি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেপে উঠল ইন্দোনেশিয়া ২৪ ঘন্টা সময় বেঁধে দিয়ে হলে ফিরলো শাবি ছাত্রীরা মিরবক্সটুলায় হাজী আব্দুন নূর ফাউন্ডেশন’র শীতবস্ত্র বিতরণ জল্লারপারে মসজিদ কমিটির ২ সদস্যকে মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামল সিলেট দ্বৈত ক্যারাম প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
মাণ ছাড়া কারো বিরুদ্ধে মামলায় যাবে না দুদক

মাণ ছাড়া কারো বিরুদ্ধে মামলায় যাবে না দুদক

ফোকাস ডেস্ক:: সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দালিলিক প্রমাণ বের করতে হবে। তারপর বক্তব্য দেয়া সম্ভব হবে। মূলত দালিলিক প্রমাণ ছাড়া দুদক কারো বিরুদ্ধে মামলা করবে না।
সোমবার বিকেলে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুসন্ধান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, অনুসন্ধান করছি কি না? এ বিষয়ে সরাসরি উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। দুদক দুজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে ওই টাকা অবৈধভাবে অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। ওই অনুসন্ধান এখনো চলছে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে না। দালিলিক প্রমাণ দিয়ে টাকা কোথায় ও কীভাবে গেল সে বিষয়টি খুঁজে বের করতে হবে। তারপর বক্তব্য দেয়া যাবে। মূলত দালিলিক প্রমাণ ছাড়া দুদক কারো বিরুদ্ধে মামলায় যাবে না।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, মন্ত্রী কি বলেছেন, সেটা আমার বিষয় নয়। তিনি বলতেই পারেন। তাছাড়া মন্ত্রীর কথায় তো দুদক মামলা করবে না। দুদক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রীর কোনো কথার কোনো প্রভাব দুদকে পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এর আগে গত ৬ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুই ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে ৪ কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ওইদিন তাদের সঙ্গে আসা দুই আইনজীবী সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন এস কে সিনহাকে তার বাড়ি বিক্রির ৪ কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। আইনজীবিরা হলেন-আফাজ মাহমুদ রুবেল এবং নাজমুল আলম।

আইনজীবীরা বলেন, এস কে সিনহার উত্তরার ৬ তলা বাড়িটি ৫ কাঠা জমির ওপর ছিল। ওই বাড়িটি ২০১৬ সালের শুরু দিকে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা শান্ত্রি রায় ৬ কোটি টাকায় কিনে নেন। এসময় বায়না দলিলে তিনি ২ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিলেন। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য নিরঞ্জন ও শাহজাহানের সহযোগিতা নেন। নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা শান্ত্রি রায়ের স্বামী রনজিতের চাচা (চাচা শশুর)। আর শাহজাহান রনজিতের বন্ধু।

তারা বলেন, বাড়ি কিনতে বাকি ৪ কোটি টাকা ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে নিরঞ্জন ও শাহজাহান ২ কোটি টাকা করে মোট ৪ কোটি টাকা ঋণ নেন। ঋণ পরিশোধে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে শান্ত্রি রায় জামিনদার হন। জামিনদার হিসেবে টাঙ্গাইল ও ঢাকার আশে-পাশের বেশকিছু জমি বন্ধক রাখেন শান্ত্রি।

তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালের মে মাসে জমির বায়না দলিল হয়। ওই বছরের ৮ নভেম্বর দুটি পে-অর্ডারের মাধ্যমে এস কে সিনহা সোনালি ব্যাংক সুপ্রিম কোর্ট শাখার মাধ্যমে চার কোটি টাকা গ্রহণ করেন। পে-অর্ডারের পর ২৪ নভেম্বর হস্তান্তর দলিলের মাধ্যমে বাড়িটি শান্ত্রি রায়কে বুঝিয়ে দেয়া হয়।

ফারমার্স ব্যাংক থেকে ঋণের নামে আত্মসাৎ ও পে-অর্ডারে এক ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির’ ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা জমা দেয়ার অভিযোগে ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল ওই দুই ব্যবসায়ীর ঢাকার উত্তরায় তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এবং টাঙ্গাইলের স্থায়ী ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানা যায়, ২০১৬ সালে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কোটি টাকা করে মোট চার কোটি টাকা শাহজাহান ও নিরঞ্জন ঋণ নেন। এরপর একই বছরের ১৬ নভেম্বর সেই অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ওই ব্যক্তির ব্যাংক হিসেবে স্থানান্তর করেন। ওই বিষয়ে সম্প্রতি দুদকে আসা এক ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তা যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © sylhetfocusnews.com
Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo