বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :::
সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট ফোকাস নিউজ ডটকম এর জন্য সিলেট বিভাগসহ দেশ বিদেশে সংবাদদাতা ও জেলা উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ইমেইলে আপনাদের সিভি পাঠাতে পারেন।
শিরোনাম ::::
প্রথম হজ ফ্লাইট শুরু ৫ জুন দীর্ঘদিন পর মারমুখী ছাত্রদল ঢাবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের ৮০ জন আহত বিশ্বনাথে ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জৈন্তাপুরে বন্যার্তদের মাঝে জেলা বিএনপির ত্রাণ বিতরণ সিলেটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে বন্যার্তদের মাঝে হাসানাহ এইড’র খাদ্য বিতরণ দেড় মাসের ব্যবধানে সুনামগঞ্জে দুই দফা বন্যা, চরম দুর্ভোগ রওশন এরশাদের পক্ষে জকিগঞ্জে ত্রান বিতরন সিলেটে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে জেলা যুবলীগের নগদ অর্থ বিতরণ কানাইঘাটের রাজাগঞ্জে ৫৮০ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী, টিন ও হাড়িপাতিল বিতরণ সম্পন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদে ২শ’পরিবারের মাঝে (জিআর)মানবিক চাল বিতরণ শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি-ডা. আরমান আহমদ শিপলু সিলেটে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, সাংবাদিক আহত সিলেটে কমছে পানি, বাড়ছে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি ওসমানী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে এম্বুলেন্স চাপায় বৃদ্ধ নিহত টুলটিকরে এটিএমএ হাসান জেবুলের ত্রাণ বিতরণ সাদিপুর নওয়াগাঁওয়ে বিদ্যুৎতের তারের উপরে পড়ে আছে কদম গাছ ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা ৬ দিন পর সুনামগঞ্জে বিপৎসীমার নিচে সুরমার পানি
বেশি পাস করলেও অপরাধ, কম করলেও অপরাধ: শিক্ষামন্ত্রী

বেশি পাস করলেও অপরাধ, কম করলেও অপরাধ: শিক্ষামন্ত্রী

ফোকাস ডেস্ক::  তিন বছর ধরে নিম্নমুখী পাসের হার। ক্রমাগত কমছে সর্বোচ্চ জিপিএ। এর কারণ কী?- এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী তুললেন পাসের হার যখন বেশি ছিল, তখন এ নিয়ে প্রশ্ন উঠত। এখন তবে কেন প্রশ্ন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আগে বেশি পাস করতো বলা হতো ভালভাবে খাতা দেখা হয়নি। আবার এখন কম পাস করেছে এখন বলা হচ্ছে পাসের হার কমে গেল কেন?’

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও সর্বোচ্চ জিপিএ-দুটোই কমেছে। এবার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬৬.৬৪ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৬৮.৯১ শতাংশ। অর্থাৎ এবার পাসের হার কমেছে ২.২৭ শতাংশ।

এবার জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন, যা গত বছরের তুলনায় আট হাজার ৭০৭ জন বা শতকরা ২০ শতাংশ কম। ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ জিপিএ ফাইভ পায় ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন।

গত বছরের ফলাফলও তার আগের বছরের চেয়ে খারাপ হয়েছে। ২০১৬ সালের তুলনায় ওই বছর পাসের হার কমে ৫.৭ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাস করে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৭৪.৭ শতাংশ।

গত বছর জিপিএ ফাইভের সংখ্যা তার আগের বছরের তুলনায় কম ছিল ২০ হাজার ৩০৭টি। ২০১৬ সালে ৫৮ হাজার ২৭৬ জন পরীক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ পায়। পরের বছর সেটা কমে ৩৮.৮৪ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ও ১০টি বোর্ডের প্রধান। সে সময়ই ফলাফলের সার্বিক চিত্র ফুটে উঠে পরিসংখ্যানে। সেখানে এক দফা কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। জানান, শিক্ষার সংখ্যাগত মান উন্নয়নের পর এবার গুণগত মান উন্নয়নে নজর দিয়েছেন তারা। খাতা দেখায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এ কারণে কমছে পাসের হার।

এরপর দুপুরে আবার সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী। সেখানেও পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ ক্রমাগত কমার বিষয়ে প্রশ্ন রাখা হয় তার কাছে।

আর এই প্রশ্ন শুনে খানিকটা অসহায় বোধ করেন নাহিদ। বলেন, ‘বেশি পাস করলেও অপরাধ, কম পাস করলেও অপরাধ। আসলে আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে খাতা দেখার মান ঠিক রাখতে গিয়ে পাসের সংখ্যা কিছুটা কম হবে এটা স্বাভাবিক।’

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রাথমিক থেকে শুরু করে ডিগ্রি পরীক্ষায় পাসের হার ক্রমাগত বেড়েছে। সে সময় শিক্ষাবিদরা দাবি করে আসছিলেন, সিজিপিএ পদ্ধতি চালুর পর খাতা দেখায় উদার মনোভাবের কারণে এত বেশি পরীক্ষার্থী পাস করছে।

এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ব্যাপকভাবে পরীক্ষার্থীদের ফেল করার খবর আসলে শিক্ষার মান নিয়ে কথা উঠে। তবে দুই বছর ধরে শিক্ষামন্ত্রী স্বীকার করছেন, খাতা দেখায় উদার মনোভাব ছিল আগে।

চলতি বছর পাসের হার কমার বিষয়ে অন্য একটি প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘তা আমরা আরও বেশি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব।’

‘তবে আপনারা জানেন, আমরা যখন শুরুর দিকে দায়িত্ব নেই তখন সারাদেশে সাড়ে আট হাজার স্কুলে গণিতে ও ইংরেজিতে একজনও পাস করেনি। আমরা সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করেছি। এখন আর সেই অবস্থা নেই।’

‘আমরা শূন্য পাস করা সেইসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কোচিং এর মাধ্যমে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমিয়ে এনেছি। এটার অনেক উন্নতি হয়েছে। এ বছর সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

‘বিশেষ করে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণে বাধ্যতামূলক করা সহ বেশকিছু পদক্ষেপ আমাদের পরীক্ষাকে সুন্দর করেছে।’

গত কয়েক বছর ধরেই পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন আগেভাগে সামাজিক মাধ্যমে চলে আসা নিয়ে ব্যাপস সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। তবে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় সরকার একটি কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবনে সফল হয়।

এবার একাধিক সেটের প্রশ্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানোর হয়। আর পরীক্ষার ২৫ মিনিট আগে এসএমএসে জানিয়ে দেয়া হয় কোন সেটে পরীক্ষা নেয়া হবে। আর এই পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন সামাজিক মাধ্যমে আগেভাগে আসেনি।

  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © sylhetfocusnews.com
Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo