বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :::
সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট ফোকাস নিউজ ডটকম এর জন্য সিলেট বিভাগসহ দেশ বিদেশে সংবাদদাতা ও জেলা উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ইমেইলে আপনাদের সিভি পাঠাতে পারেন।
শিরোনাম ::::
জগদীশ সামন্তের নৌকা মার্কার সমর্থনে সিলেটে মতবিনিময় সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চলতে ট্রেনএর বগির হঠাৎ দুই ভাগ! সিলেটে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে-নিহত ১ আহত ১৫ সিলেট মহানগর আঃলীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিনের সাথে রিক্সা মালিক শ্রমিকদের মতবিনময় সিলেটের ৫৫টি স্কুলে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করলো বিকাশ সিলেটে বাড়ি ছেড়ে ৪ যুবক নিখোঁজ সিলেটে ‘জাওয়াদ’র প্রভাব, শীত বাড়ার আভাস গোয়াইনঘাটে ২২৫ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ৩ জাফলংয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের উদ্যোগে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৩-তম জন্মদিন পালিত সব সিটি করপোরেশনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া ক্ষমতায় থাকাকালে তারা কী করেছেন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে আন্দোলন করছেন’-ওবায়দুল কাদের বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দলিত জনগোষ্ঠীর ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন ফ্রেন্ডস পাওয়ার ক্লাবের একযুগ পূর্তি উৎসব পালন সেনাবাহিনী দেশে-বিদেশে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে সক্ষম-জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমদ সিলেটেও ‘জাওয়াদ’র প্রভাব, দিনভর দেখা নেই সূর্যের খান বাহাদুর কল্যাণ ট্রাস্ট্র ও ইংল্যান্ডের আল মোস্তফা কল্যাণ ট্রাস্টের ফ্রি চক্ষু সেবা মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গণমানুষের কবি দিলওয়ারকে নিবেদিত রচনা প্রতিযোগিতা বালাগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর উপর সেতু নির্মানের স্থান পরিদর্শন-হাবিব ও নেছার আহমদ এম.পি কোন মুসলমান ইসলাম ছাড়া কারও মত গ্রহণ করতে পারে না : পীর সাহেব চরমোনাই
‘ক্রসফায়ারে’র ভয় দেখিয়ে দুই এএসআই’র বিরুদ্ধে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

‘ক্রসফায়ারে’র ভয় দেখিয়ে দুই এএসআই’র বিরুদ্ধে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

সিলেট ফোকাস ডেস্ক::ঝালকাঠিতে ‘ক্রসফায়ারে’র ভয় দেখিয়ে সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিঠুন দাস ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিন্টু লালের বিরুদ্ধে লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠি পৌরসভার রোলার চালক ইয়াছিন এই অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, গত ১৪ জুন মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসিয়ে স্থানীয় একটি ইটভাটায় তাকে জিম্মি রেখে টাকা আদায় করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে ওই ইটভাটার মালিক পৌর কাউন্সিলর জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির ছিলেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।

ভুক্তভোগী ইয়াছিন থাকেন পৌরসভার কোয়ার্টারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী—গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় স্থানীয় চামটা বাজারের কাছে তাকে ডেকে নেয় এএসআই মিঠুনের সোর্স তাজুল। ঘটনাস্থলে গেলে তার পকেটে কয়েক পিস ইয়াবা ঢুকিয়ে দেয় ওই সোর্স। পাশেই থাকা এএসআই মিঠুন দাস ও মিন্টু লাল দ্রুত এগিয়ে এসে ইয়াছিনকে আটক করেন। পরে তাকে কাউন্সিলর জাকিরের ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিম্মি রেখে ইয়াছিনকে ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি দেখান দুই এএসআই। এমনকি সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নাম উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিষয়টি সার্কেল সাহেব জানলে তোকে ক্রসফায়ারে দিতে বলবে।’

‘ক্রসফায়ারে’র কথা শুনে ইয়াছিন ভয় পেয়ে গেলে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এএসআই মিঠুন ও মিন্টু। পরে ১ লাখ টাকায় দফারফা হয়। এক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন ওই ইটভাটার মালিক পৌর কাউন্সিলর জাকির। ইয়াছিনের মোটরসাইকেল নিজের জিম্মায় রেখে দুই এএসআইকে ১ লাখ টাকা দিয়ে বিদায় করেন কাউন্সিলর।

এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির জানান, তিনি বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন। এখন নয়, মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বরিশালে ফিরে এ নিয়ে কথা বলবেন। তবে অভিযুক্ত দুই এএসআই মিঠুন দাস ও মিন্টু লাল এই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

ঝালকাঠি পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (২৯ জুন) রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে পুরো ঘটনার বিবরণ দেন ইয়াছিন। এরপর সাংবাদিকরা থানায় গিয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) জোবায়দুর রহমানকে ভিডিওটি দেখান। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসেন তিনি।

এরপর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোমিত কুমার গায়েনকে দিয়ে খবর পাঠিয়ে শনিবার (৩০ জুন) রাতে ইয়াছিনকে থানায় ডেকে নেন এসপি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ অনেকাংশে নিশ্চিত হওয়ায় তাকে রবিবার (১ জুলাই) লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন এসপি। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার খড়্গ নেমে আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন এসপি জোবায়দুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে ঘটনা প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোমিত কুমার গায়েন বলছেন, ‘এ ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকরা সার্কেল স্যারকে (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সদর সার্কেল এম এম মাহমুদ হাসান) দেখিয়েছেন। সার্কেল স্যার তখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।’

তবে ভিডিওটি দেখার কথা স্বীকার করেননি ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © sylhetfocusnews.com
Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo