রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :::
সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট ফোকাস নিউজ ডটকম এর জন্য সিলেট বিভাগসহ দেশ বিদেশে সংবাদদাতা ও জেলা উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ইমেইলে আপনাদের সিভি পাঠাতে পারেন।
শিরোনাম ::::
গোয়াইনঘাটের ডৌবাড়িতে ডুবলো নৌকা, বিদ্রোহী প্রার্থীর জয় সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের প্রস্তুতি সভা ও লিফলেট বিতরণ বড়লেখার দাসেরবাজারে নৌকাকে ডুবিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয় সিলেট চেম্বারের সাথে রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের মতবিনিময় দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে নৌকার তুহিন বিজয়ী দক্ষিণ সুরমার দাউদপুরে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী নবনির্বাচিত মেম্বার আব্দুল আহাদকে তেমুখি মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ীর সংবর্ধনা নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় মহিলা সংস্থা সিলেটের উঠান বৈঠক সিলেটে নাতির কোলে চড়ে ভোট দিলেন শতবর্ষী নানী! গোল্ডেন ড্রীম ওমেন অর্গানাইজেশনের ফ্রী খতনা ক্যাম্প সম্পন্ন সিলেটে তৃতীয় ধাপে ৭৭ ইউনিয়নে ভোটযুদ্ধ নিজেকে বিয়ে করা সেই মডেল এবার চাইলেন বিচ্ছেদ ‘সক্কাল সক্কাল… অর্গাজম’! চমকে দিলেন শ্রীলেখা শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করছে বাংলাদেশ অরাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করছে বিএনপি : কৃষিমন্ত্রী মিরপুরে গার্মেন্টস কর্মীদের সড়ক অবরোধ বরিশালে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ছাত্রদল নেতা সামসুদ্দোহার পিতার মৃত্যুতে সিলেট ছাত্রদলের শোক সিলেটে বন্ধ প্রচারণা, অপেক্ষা ভোটের
আমি চাই, সবাই আমাদের খেলা দেখুক: ফাহিমা

আমি চাই, সবাই আমাদের খেলা দেখুক: ফাহিমা

 

স্পোর্টস ডেস্ক:: বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার। নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন, হয়েছেন ‘হ্যাটট্রিক কন্যা’। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আরব আমিরাতের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটি করেন তিনি। সাকিব আল হাসান ও তার বাড়ি একই জেলায় মাগুরাতে। তার স্বপ্ন ছিল- সেও একদিন সাকিব আল হাসানের মতো দেশের ক্রিকেটে কৃতিত্ব রাখবে। সেই পথেই হাঁটছেন তিনি।

ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও লেগ ব্রেক বোলার ফাহিমা ২০১৩ সালে ৮ এপ্রিল ভারতের বিপক্ষে তার ওডিআই অভিষেক হয়। এর আগে ২০১৩ সালের ৫ এপ্রিল একই দলের বিপক্ষে টি-২০ আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হন তিনি। ৬টি ওডিআই ও ১৫টি টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলা ফাহিমা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের আরেক ভরসার নাম।

সাফল্য ও অনেক জানা-অজানা বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা হয় ডেইলি বাংলাদেশের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুমনা আহমেদ।

খেলা শে‌ষে দে‌শে ফিরে অবসর সময় কাটা‌চ্ছেন। সময়টা কীভা‌বে কাট‌ছে আপনার?

ফাহিমা: খেলা শেষে বাড়িতে ফ্যামিলিকেই বেশি সময় দিয়েছি। অন্যবারের থেকে এবার একটু ডিফারেন্ট ছিল। বাসায় অনেক আত্নীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরা এসেছিল। সবাই কংগ্রাটস করেছে, অনেকে ইন্সপায়ারও করেছে। আমি যেখানে ল্যান্ড করি তখন আমার কোচ, ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের সেক্রেটারি এমনকি এলাকার অনেকেই এসেছিল সেখানে। উনারা এসে আমাকে সংবর্ধনা দেয়। রাস্তার মধ্যেই আমাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানায়। পরে গাড়িতে করে আমাকে পুরো মাগুরা শহর ঘুরিয়েছে। আমি খুব ইনজয় করছিলাম আবার লজ্জা লজ্জাও লাগছিল। মনে হচ্ছিল নেতা নেতা। তারপর এখন প্রাকটিস আর জিম করার জন্য ঢাকায়।

খেলাধুলায় যেমন ভালো করছেন, তেমনি পড়াশোনাতেও। দুই দিকেই সমান পারফর্মমেন্স। একসঙ্গে কীভাবে মেইন্টেইন করছেন?

ফাহিমা: মেইন্টেইন বলতে- আমার বড় আপু আঁখি আপু আমাকে অনেক সাপোর্ট করে। আপু সবসময় বলে তুমি যদি চাও তাহলে কোনো কিছুই অসম্ভব না। আসলেই কথাটা সত্যি। আমি যখন মাঠে থাকি তখন শুধু ক্রিকেট নিয়েই পড়ে থাকি। আবার যখন আউট ফিল্ডে থাকি তখন মনে করি আমাকে পড়াশোনায়ও সময় দিতে হবে। তো সেক্ষেত্রে- এই যে বাসায় গেছি, কয়েকদিন বই খাতা নিয়েও ঘাটাঘাটি করেছি। সেভাবে হয়ত সময় দেয়া হয়নি। তবে আপুর কথা মাথায় রেখে দুই দিকেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছি।

সর্বশেষ নেদারল্যান্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আপনারা চ্যা‌ম্পিয়ন ও বিশ্বকা‌পে কোয়া‌লিফাই ক‌রে‌ছেন। ভারত‌কে হা‌রি‌য়ে এশিয়া কাপ চ্যা‌ম্পিয়ন এ টিমের আরেকটি বড় অর্জন। এ নি‌য়ে আপনার অনুভূতি কেমন?

ফাহিমা: আসলে আমরা অনেকদিন থেকেই চেষ্টা করছিলাম; এরকম একটা বড় জয় আমাদের খুব দরকার ছিল। আমরা পেরেছি। সত্যি এটা অনেক আনন্দের। অনেক খুশি হয়েছি, যা বলে বোঝানো যাবে না। তবে এখন আমাদের লক্ষ্য, পরের গেমগুলা আরো ভালো করা।

কিছুদিন আগেও আপনারা অপ্রতিরোধ্য ছিলেন। এখন সেটা প্রায় ম্লানের পথে। সেইসঙ্গে দেশে-বিদেশে ভালো ক্রিকেট খেলছেন। আপনাদের এ অগ্রযাত্রায় মূল প্রেরণা হিসেবে কী কাজ করছে?

ফাহিমা: মূল প্রেরণা বলতে- আমি প্রথমেই আমাদের কোচ ফাহিম স্যারের কথা বলব। তিনি সবসময় আমাদের ইন্সপায়ার করেন। তিনি বলেন, তোমাদের সবকিছু আছে। এখন শুধু দেখানোর সময়।

আমরা যখন আমাদের ইম্প্রুভ ধরতে পারছিলাম না, ফাহিম স্যার সেখান থেকে আমাদের ট্যালেন্টগুলো বের করে আনছেন। তাছাড়া আমাদের নতুন কোচ আঞ্জুয়ান আর দেবিকা তাদের প্লানিং অনেক ভালো। তারা যেভাবে প্লান করছেন আমরা সেটা করতে পারছি বা নিতে পারছি। বিশেষ করে যেটা বলব, আমাদের কমিউনিকেশন গ্যাপ হচ্ছে না। যার জন্য আমরা আমাদের মতো করে বেস্টটা দিতে পারছি। আমাদের ম্যানেজার, সিলেক্টররাও সবসময় ইন্সপায়ার করে থাকেন।

কিছুদিন আগে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আরব আমিরাতের বিপক্ষে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। তখন আপনার অনুভূতি কেমন ছিল?

ফাহিমা: হ্যাটট্রিকের অনুভূতি অবশ্যই অনেক ভালো ছিল। কারণ বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হ্যাট্রিকার হতে পেরেছি এটা আসলে একটা ‘রেকর্ড’ হয়েছে। ওটাই ভালো লাগছে, সবাই যখন বলাবলি করছে তুমি হ্যাট্রিক করেছ। তবে সব থেকে বেশি ভালো লাগছে, আমার বাবা-মা অনেক হ্যাপি। তারা যখন কোথাও যাচ্ছে সবাই বলছে ফাহিমার বাবা- মা যাচ্ছে। এটায় অনেক বড় পাওয়া।

যখন দুই উইকেট ছিনিয়ে নেয়ার পর হ্যাটট্রিক চান্স ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার কনফিডেন্স লেভেল কোথায় ছিল। তখন আপনি ঠিক কী চিন্তা করছিলেন?

ফাহিমা: এরকম হ্যাটট্রিক চান্স আমার অনেক বার-ই হয়েছে। তবে তখন এতটা বুঝতে পারিনি। অনেকেই অনেকভাবে বুঝিয়েছেন। কিন্তু তখন পারিনি। তবে ওই দিন আমি অনেকটা কনফিডেন্ট ছিলাম। অনেকেই অনেকভাবে ধারণা দিচ্ছিল কিন্তু কেন জানি আমার মাথায় কিছু ঢুকছিল না। বল হাতে নিয়েই কেন জানি মনে হচ্ছিল আমার হ্যাটট্রিকটা হয়ে যাবে।

  •  
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © sylhetfocusnews.com
Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo